গ্রামীণফোনের জন্য বিনামূল্যে ডেটা পেতে, আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলি চেষ্টা করতে পারেন:
1. **প্রচার এবং অফার**: চলমান প্রচার বা বিশেষ অফারগুলির জন্য গ্রামীণফোন অ্যাপ বা ওয়েবসাইট দেখুন। 2. **রেফারেল প্রোগ্রাম**: গ্রামীণফোনে যোগ দিতে বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানান; আপনি একটি পুরস্কার হিসাবে বিনামূল্যে ডেটা পেতে পারেন.
3. **আনুগত্য প্রোগ্রাম**: যে কোনো আনুগত্য প্রোগ্রাম বা প্রচারাভিযানে অংশগ্রহণ করুন যা আপনার ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে বিনামূল্যে ডেটা অফার করতে পারে।
4. **সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিযোগিতা**: বিনামূল্যে ডেটা অফার করে এমন প্রতিযোগিতা বা উপহারের জন্য সামাজিক মিডিয়াতে গ্রামীণফোনকে অনুসরণ করুন।
5. **অংশীদার প্রচার**: অ্যাপ বা পরিষেবাগুলির সাথে অংশীদারিত্বের সন্ধান করুন যা তাদের প্রচারের অংশ হিসাবে বিনামূল্যে ডেটা প্রদান করতে পারে৷
সর্বদা সরাসরি অফিসিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে যেকোনো অফার যাচাই করুন
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম’—নামের সঙ্গে মিশে আছে বাংলাদেশের টেস্টের স্মৃতি। একসময় দেশের হাতেগোনা কয়েকটি টেস্ট ভেন্যুর মধ্যে একটি ছিল বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী এ স্টেডিয়াম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দেড় যুগ ধরে নেই কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচের আয়োজন। ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়েও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয় স্টেডিয়ামটি। তবে এবার নতুন করে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছেন বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের ক্রীড়াপ্রেমীরা। ২০০৬ সালের পর আবারও সেখানে ফিরবে আন্তর্জাতিক ম্যাচ—এমনটাই চাওয়া তাদের।
আইসিসির স্বীকৃতি থাকা মাঠটিতে নেই কোনো ম্যাচ। স্টেডিয়ামের বিদ্যুৎ বিল রয়েছে বকেয়া, স্টাফ বেতন পরিশোধ থাকলেও আউটফিল্ড, ইনডোর, জিমনেশিয়াম প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছে। বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক নেতৃবৃন্দ বলছেন, বগুড়ার স্টেডিয়ামটি শুধু রাজনৈতিক কারণে প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে। এই মাঠের উইকেট অত্যন্ত ভালোমানের হওয়ার পরও বিসিবির নেতৃবৃন্দ মাঠটি সরে নিয়ে যায়। বগুড়ায় আন্তর্জাতিক ম্যাচের আইসিসির স্বীকৃতি তুলে নেওয়ার আগেই সিলেটে নির্মাণ করা হয় স্টেডিয়াম। তাদের দাবি, লাখ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে আছে। ফ্লাডলাইট স্ট্যান্ড থেকে উন্নতমানের লাইটগুলোও খুলে নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এই মাঠে আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের দাবি তাদের।
বগুড়ার ক্রিকেটপ্রেমীরা জানান, ক্রিকেটকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে এবং ক্রিকেটের উন্নয়নের স্বার্থে শুধু ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা নয়; বগুড়ার মতো অন্যান্য জেলায়ও আন্তর্জাতিক মানের ম্যাচ দিতে হবে। ক্রিকেটকে আরও ছড়িয়ে দিতে হবে। তাহলে আরও বেশি ক্রিকেটের কাছে আসতে পারবে তরুণ প্রজন্ম।
বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক নির্বাহী সদস্য ও ক্রীড়া সংগঠক অ্যাথলেট শাজাহান আলী বাবু জানান, বগুড়ার এ স্টেডিয়ামটি নষ্ট করেছেন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা। তারা বগুড়াকে কুক্ষিগত করার জন্য ইচ্ছা করে একটি জীবন্ত মাঠের মৃত্যু ঘটিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় থাকা এ স্টেডিয়ামের সংস্কার নেই, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, সুইমিংপুল বন্ধ, ইনডোরের অবস্থা খুবই খারাপ, পিচ ঠিক থাকলেও এর আউটফিল্ডের অবস্থা নাজুক।
বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানান, ‘ঢাকার বাইরে যেসব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম আছে, তার মধ্যে বগুড়া উল্লেখযোগ্য। বগুড়ার আবাসন ব্যবস্থা এখন অন্য জেলার চেয়ে অনেক উন্নত। বগুড়ায় বেশ কিছু আন্তর্জাতিক মানের হোটেল চালু রয়েছে। দেশের অন্যান্য স্টেডিয়ামের চেয়ে বগুড়ার স্টেডিয়ামের যোগাযোগসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বেশি রয়েছে। তার পরও বগুড়ার এই স্টেডিয়ামকে বঞ্চিত করা হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে এই বঞ্চনার শিকার হয়ে এসেছে।’
স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার জামিলুর রহমান বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের একমাত্র টেস্ট ভেন্যু হলো বগুড়া। এখানে উন্নতমানের উইকেট থাকায় ভালো কিছু হওয়া সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে অবকাঠামোগত জটিলতা দেখা দিয়েছে। কিছু ভবন ও গ্যালারির সংস্কার প্রয়োজন। মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্যও কিছু কাজ করতে হবে।’
ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৯৬২ সালে বগুড়া শহরে নির্মিত হয় শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম। ১৯৭০ সাল থেকে ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্থানীয় বিভিন্ন টুর্নামেন্টের খেলা হতো সেখানে। তবে ২০০৩ সালে প্রথমবার স্টেডিয়ামটির ক্রীড়া কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এক বছর পরই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচ দিয়ে শুরু হয় স্টেডিয়ামে কার্যক্রম। আইসিসি থেকে স্বীকৃতি মেলার পর সেখানে একটি টেস্ট ও পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
কানপুরে পা রাখার আগেই খবরটা ছিল চমকে যাওয়ার মতো। ভারত-বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্ট ঘিরে ধর্মঘট ডেকে বসে স্থানীয় সংগঠন হিন্দু মহাসভা। তবে কানপুর শহরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে তেমন কিছুই চোখে পড়েনি। যে যার দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্য দিয়ে দিন কাটিয়ে দিচ্ছেন। উল্টো তিন বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে দর্শকদের মধ্যে টিকিট পেতেও এক প্রকার প্রতিযোগিতা দেখা গিয়েছে। এমন হুমকির মধ্যে নড়েচড়ে বসেছে উত্তর প্রদেশের পুলিশ। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থায় চারপাশ ঘিরে রেখেছেন তারা। নির্দিষ্ট পোশাকের বাইরেও সাদা পোশাকে মিলেছিল অনেক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেখা।
চেন্নাই থেকে কানপুর আসার পর একদিন হোটেলেই কাটিয়েছিলেন রোহিত শর্মা, নাজমুল হোসেন শান্তরা। বুধবার সকালে আনুষ্ঠানিক অনুশীলন করেন তারা। এ সময় কানপুর গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামের আশপাশে সরেজমিন ঘুরে দেখেছে কালবেলা। তেমন কোনো বিক্ষোভ কিংবা লোক জড়ো হওয়ার ঘটনা দেখা যায়নি। তার পরও স্টেডিয়ামের প্রতিটি গেটে ছিল পুলিশের কঠোর সতর্ক অবস্থান। মাঠে প্রবেশের কার্ড থাকার পরও বেশ কয়েকটি চেকপোস্ট পেরিয়ে স্টেডিয়ামে আসতে হয়েছিল মাঠকর্মী থেকে শুরু করে সংবাদকর্মীদেরও।
গ্রিন পার্কের ড্রেসিংরুমের পাশে ও ওপরের গ্যালারিতে কয়েকশ নিরাপত্তাকর্মী দেখা গেছে। মাঠে বেশ কয়েকবার পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও সরব উপস্থিতির দেখা মেলে। নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছিলেন উত্তর প্রদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিসিপি রাজেশ শ্রীবাস্তব। পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ শেষে তিনি জানিয়েছেন, তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছেন তারা। রাজেশ শ্রীবাস্তব বলেন, ‘এখানে তিন ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। একটি হচ্ছে আইসোলেশন কর্ডন যেটি মাঠ, পিচ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা দিচ্ছে। বাকি দুটি ধরনের মাধ্যমে প্যাভিলিয়নসহ স্টেডিয়ামের রাস্তাসহ আশাপাশের এলাকায় নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি কর্ডনই তিন-চারটি ভাগে বিভক্ত। কাজ করছে এক হাজার পুলিশ, ক্যামেরা রয়েছে একশর মতো।’
কানপুর টেস্ট ঘিরে হুমকি থাকলেও পুলিশ খুব একটা উদ্বিগ্ন নয়। প্রচুর নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকায় কোনো সমস্যাও দেখছেন না পুলিশের এই কর্মকর্তা, ‘হুমকি নিয়ে অনেক ধরনের তথ্য আছে। এগুলো কিছু বলা যাচ্ছে না। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। উত্তর প্রদেশ পুলিশের নিজস্ব স্ট্যান্ডার্ডে নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। এগুলো ফাঁকি দিয়ে বের হওয়া অসম্ভব। তাই বলতে পারি কোনো উদ্বেগ নেই।’ বাংলাদেশ টিমের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে চিন্তা নেই বলে জানানো হয়। সবকিছু দেখভাল করছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক সম্প্রতি ‘জেন-জি’ নামে একটি নতুন প্যাকেজ চালু করেছে। নতুন এই প্যাকেজ সিম কার্ডটি কেবলমাত্র ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী এবং এনআইডি রয়েছে এমন ব্যক্তিরা কিনতে পারবেন। প্যাকেজটির দাম ১৫০ টাকা।
জেন-জি প্যাকেজের ডিফল্ট ট্যারিফ হল প্রতি মিনিটে ৫০ পয়সা। এসএমএস ট্যারিফ ২৫ পয়সা (বাংলা) এবং ৪০ পয়সা। (ইংরেজি). প্যাকেজটি সীমাহীন সময়কাল সহ ২৮৩ টাকা দামের ২৫ জিবি ডেটাও দেবে। এটি ২৪ মিনিটের একটি বান্ডেল প্যাকেজ এবং ৩৬৫ দিনের সময়কাল সহ ১৮ টাকা মূল্যের ১০ টি এসএমএসও সরবরাহ করে।
টেলিটকের অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজে বলা হয়েছে, ‘জেনারেশন জেড সংক্ষেপে ‘জেন জি’ হলো সেই প্রজন্ম যারা বর্তমান যুগের ডিজিটাল ও প্রযুক্তি নির্ভর একটি শক্তিশালী প্রজন্ম। এরা প্রযুক্তি ব্যবহার, উদ্ভাবনী চিন্তা, এবং নতুন ধারণা গ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে। বাংলাদেশে জেনারেশন জেড প্রজন্মের তরুণরা ডিজিটাল যুগের সাথে খাপ খাইয়ে নতুনত্ব এবং সামাজিক পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাইতো বাংলাদেশের জেনারেশন জেড কে একটি উদ্ভাবনী, প্রযুক্তি-প্রেমী এবং সামাজিকভাবে সচেতন প্রজন্ম হিসেবে তৈরি করতে টেলিটক নিয়ে এলো `জেন-জি’ প্যাকেজ।
বিশ্বে চাকরির বাজার আগের চেয়ে অনেক দ্রুত বদলে যাচ্ছে এবং এখনকার অনেক চাকরির অস্তিত্ব শিগগিরই অদৃশ্য হয়ে যাবে।এই পরিবর্তনের পেছনে প্রধান দুটি কারণের কথা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে।কারণ দুটি হল নতুন প্রযুক্তির উত্থান বা অটোমেশন এবং সবুজ ও টেকসই অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়া।বিগ ডেটা, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো নতুন নতুন প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি শ্রমবাজারে আমূল পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভালো খবর হল, নতুন প্রযুক্তি সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে সাহায্য করবে। এতে একদিকে যেমন অনেক কর্মসংস্থানের খাত তৈরি হবে তেমন অনেক কর্মসংস্থান ধ্বংসও হয়ে যাবে।
সর্বোপরি, যখন একটি প্রতিষ্ঠান অল্প কর্মসংস্থানে বেশি অর্জন করতে পারে, তখন সেটা স্বাভাবিকভাবেই বেশি প্রসারিত হয়।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গবেষকরা বলছেন, আগামী পাঁচ বছরে বর্তমান চাকরির বাজার প্রায় এক-চতুর্থাংশ বদলে যাবে।
সুতরাং একটি ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে সফল হতে প্রতিনিয়ত নতুন দক্ষতা শিখে সক্ষমতা বাড়ানোর কোনও বিকল্প নেই।
কারিগরি জ্ঞান হল এমন এক প্রধান দক্ষতা যা নতুন চাকরির প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিঁকে থাকার জন্য অবশ্যই অর্জন করতে হবে।
এর অর্থ এই নয় যে প্রত্যেকেরই প্রোগ্রামিং ভাষা জানতে হবে বা মেশিন লার্নিং এর আদ্যোপান্ত সব বুঝতে হবে।
কিন্তু ভবিষ্যতে ‘স্টেম’ চাকরির চাহিদা আরও বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
ইংরেজি বর্ণমালার চারটি অক্ষর এস, টি, ই, এম – অর্থাৎ ‘স্টেম’ এর পূর্ণ অর্থ হল সায়েন্স বা বিজ্ঞান, টেকনোলজি বা প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং বা প্রকৌশল এবং ম্যাথম্যাটিকস বা গণিত।
স্টেম শব্দটি মূলত এই চারটি স্বতন্ত্র কিন্তু একে অপরের সাথে প্রযুক্তিগতভাবে সম্পর্কিত শাখাগুলোকে একত্রে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সুতরাং আপনি যদি ভাবেন আপনার সন্তানের স্কুলে কোন বিষয়গুলোয় ফোকাস করা উচিত, তাহলে এর উত্তর হবে: গণিত, কম্পিউটার সায়েন্স, এবং ন্যাচারাল সায়েন্সেস।
বিজ্ঞাপন
ন্যাচারাল সায়েন্সেসের আওতায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, জৈব রসায়ন, সমুদ্র বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিদ্যা, ভূগোল, ভূবিজ্ঞান এই সব বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হবে।
এক কথায় ভৌত জগতের সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞানের শাখাই হল ন্যাচারাল সায়েন্সেস।
এরপর যে বিষয়ে দক্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিতে হবে তা হল অ্যানালিটিক্যাল থিংকিং বা বিশ্লেষণধর্মী চিন্তাভাবনা।
বিজ্ঞাপন
বিশ্লেষণধর্মী চিন্তাভাবনা বিকাশের জন্য, আপনাকে আপনার জ্ঞানার্জনের ক্ষমতাকে ঘষেমেজে উন্নত করতে হবে।
যেন আপনার মন এবং মনন একটি বিষয়ের ভিন্ন ভিন্ন প্যাটার্ন বা বিভিন্ন ব্যাখ্যা লক্ষ্য করতে পারে।
বিভিন্ন ঘটনা বা বিষয়বস্তু একটার সাথে আরেকটির সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং এমন এক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে যেখানে আবেগ বা ব্যক্তিগত পছন্দের কোনও প্রভাব নেই।
এভাবে নিজের জ্ঞান আহরণের ক্ষমতাকে আরও শানিত করতে হবে।
বিজ্ঞাপন
এই সক্ষমতা অর্জনের জন্য কোনও একটি বিষয়ে মনোযোগ এবং একাগ্রতা ধরে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এজন্য মনকে প্রশিক্ষিত করা প্রয়োজন।
কারণ আজকাল বিভিন্ন গ্যাজেট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অনলাইন গেম এবং বিজ্ঞাপনের কারণে আমাদের মনোযোগ ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কেন না এসব বিষয়ে সংযুক্ত না থাকলে আমাদের মধ্যে হারিয়ে যাওয়ার ভয় সৃষ্টি হয়। যাকে অনেকে বলেন ‘ফিয়ার অফ মিসিং আউট’।
অ্যানালিটিকাল স্কিলস বা বিশ্লেষণধর্মী দক্ষতার মধ্যে রয়েছে কৌতূহল এবং প্রতিনিয়ত নিজেকে স্ব-শিক্ষিত করে তোলার বিষয়টি।
এভাবে ক্রমাগত নিজেকে উন্নত করতে এবং শিখতে, আপনাকে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে ফোকাস ধরে রাখা আয়ত্ত করতে হবে।
এছাড়া সৃজনশীলতাও বেশ জরুরি। বিজ্ঞান, প্রকৌশল, নকশা বা শিল্পে, যে ব্যক্তি প্রযুক্তিগত দক্ষতার সাথে সৃজনশীলতাকে এক করতে পারবেন তারই পদোন্নতি পাওয়ার সুযোগ বেশি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে যোগাযোগ এবং সহানুভূতি অত্যন্ত মূল্যবান দুটি দক্ষতা।
যন্ত্র যত দ্রুত বিকাশ লাভ করুক না কেন, মানুষের সব সময়েই আরেকজন মানুষের প্রয়োজন হবে এবং মানুষের প্রতি মানুষের মনোযোগ, সবাই মিলে কাজ করা, একজন আরেকজনের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, গল্প করা, পাশে থাকা এবং সহানুভূতির মূল্য দিন দিন বাড়তেই থাকবে।
২০২০ সালে প্রকাশিত লিঙ্কড-ইনের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, যোগাযোগ ইতোমধ্যেই আজকের চাকরির বাজারে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতা হয়ে উঠেছে।
“কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং রোবটিক্সের ব্যবহার, রিমোট ওয়ার্কফোর্স বা দূরবর্তী চাকরিজীবীদের হার বেড়ে যাওয়া এবং প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ হওয়ার সাথে সাথে আমরা সারা বিশ্বের মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারছি।”
“এতো মানুষের সাথে কথা বলতে বা তাদের কথা শুনতে জানা এবং তাদের সাথে সংযোগ তৈরি করার চেয়ে কখনই কোনও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছিল না”, বলেছেন প্রতিভা এবং কর্মক্ষেত্রে সংযোগ স্থাপন বিশেষজ্ঞ ড্যান নেগ্রোনি।
১. নতুন প্রযুক্তি
এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে তথ্য প্রযুক্তি এবং নতুন প্রযুক্তি অদূর ভবিষ্যতে সব চেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল খাতগুলির মধ্যে একটি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিকাশের পাশাপাশি মেশিন লার্নিং-দক্ষতা অনেক আকর্ষণীয় সব সুযোগ তৈরি করবে।
এক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল পেশাগুলোর মধ্যে একটি হল প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং। এরা মূলত যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেলগুলোর সাহায্যে এই যোগাযোগের কাজটি করে থাকে।
তারা সঠিকভাবে গ্রাহকদের অনুরোধগুলো সঠিকভাবে প্রণয়ন করতে সাহায্য করে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মানুষের মধ্যে এক ধরনের মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করে৷
এআই সম্পর্কিত অন্যান্য সম্ভাব্য চাকরির মধ্যে রয়েছে এথিসিস্ট বা নীতিবিদ, সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার বা নিরাপত্তা প্রকৌশলী এবং ডেভেলপার্স যারা মানুষ এবং যন্ত্রের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস তৈরি করে।
সাধারণভাবে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসঙ্গ আসে, তখন বিভিন্ন পেশার মানুষদের পরামর্শ দেওয়া হয় যে তারা যেন এই প্রযুক্তিকে তাদের প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরং একটি অংশীদার হিসেবে দেখে।
এবং নতুন এই প্রযুক্তির সাথে কীভাবে তাল মিলিয়ে চলা যায় সে বিষয়ে জানার চেষ্টা করে।
সম্ভাবনার আরেকটি ক্ষেত্র হল অ্যানালাইসিস অব বিগ ডেটা অর্থাৎ বড় বড় তথ্য উপাত্তের বিশ্লেষণ।
নেটফ্লিক্সের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে হ্যাড্রন কোলাইডার বা কন্ট্রোল সিস্টেমের মতো বিভিন্ন ধরনের বিশাল বিশাল তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা অর্জন বেশ জরুরি।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের জন্য অবশ্যই কাজের কোনও অভাব হবে না, কারণ প্রতিনিয়ত সংবেদনশীল তথ্যের হার বাড়তেই থাকবে। সে জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনও বাড়বে।
এ কারণে আর্থিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, বিজনেস অ্যানালিস্ট বা ব্যবসা বিশ্লেষক এবং ব্লকচেইন সিস্টেম ডেভেলপারদেরও প্রয়োজন হবে।
২. ‘সবুজ’ চাকরি
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ফিউচার অফ জবস রিপোর্ট ২০২৩ অনুসারে, সব ধরনের খাত এবং শিল্পে ‘সবুজ’ চাকরির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “সবুজ রূপান্তরের কারণে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী তিন কোটি কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এবং এই কর্মসংস্থান তৈরি হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অল্প শক্তি ব্যবহার করে বেশি উৎপাদন এবং কম নির্গমন প্রযুক্তি এই তিনটি খাতে।”
সবুজ শক্তি এবং টেকসই উন্নয়নে নতুন চাকরির সুযোগের ক্ষেত্রে আপাতত যে সব দেশ সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে পশ্চিমা দেশ এবং জাপান। অবশ্য চীনও ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে।
এই কাজগুলো ব্যবসা, বিজ্ঞান, রাজনীতি বা সরাসরি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।
তারা মূলত ওই পেশায় থেকেই পুনরায় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বা শক্তির নতুন উৎসের সন্ধান এবং ব্যাটারির উন্নয়নে কাজ করতে পারে, বিপন্ন জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করতে পারে, ব্যবসায়িক পরামর্শ দিতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ, তারা আইনি সহায়তা দিতে পারে, আইনের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারে এবং পরিবেশ সুরক্ষা আইনে পরিবর্তন আনতে পারে।
এছাড়াও সামনের দিনগুলোয় স্মার্ট হোম প্ল্যানার, আর্কিটেক্ট (স্থাপত্য কৌশলী), ডিজাইনার এবং নির্মাতাদের প্রয়োজন হবে।
৩. স্বাস্থ্য পেশাজীবী
বিশ্বে মানুষের গড় আয়ু যত বাড়ছে ততই বাড়ছে বার্ধক্যে উপনীত জনসংখ্যার হার।
এই বয়স্ক মানুষদের যত্ন এবং চিকিৎসার প্রয়োজন ক্রমেই বাড়বে।
অতএব, অদূর ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের কাজের চাহিদা অনেক বেশি থাকবে।
বিশেষ করে সেই সব স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার প্রয়োজনীয়তা বেশি বাড়বে যারা রোগীদের শুধু ওষুধই নয় বরং নৈতিক সমর্থন দেওয়ারও দক্ষতা রাখেন।
চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞদের ক্রমাগত শিখতে হবে।
তাদের ডায়াগনোসিস বা স্বাস্থ্য পরীক্ষার নতুন নতুন পদ্ধতি এবং চিকিৎসায় নতুন উদ্ভাবিত পদ্ধতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও এক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে।
এছাড়াও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বা সাইকোথেরাপিস্ট এবং পার্সোনাল ডেভেলপমেন্ট মেন্টরস বা বিভিন্ন ব্যক্তিগত উন্নয়ন পরামর্শদাতা বা আধ্যাত্মিক অনুশীলনের প্রশিক্ষকদের জন্যও কাজের ক্ষেত্রে তৈরি হবে।
৪. ‘ম্যানুয়াল’ কাজ
আগামী বছরগুলোয়, মেকানিক, মেরামতকারী, ইলেকট্রিশিয়ান বা বিল্ডারদের মতো ম্যানুয়াল চাকরিতে পেশাদারদের প্রয়োজন বাড়বে।
কিছু ছোট ছোট সুনির্দিষ্ট কাজ রয়েছে যা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বেশ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে মানুষের কোনও বিকল্প নেই।
কিন্তু সব সময় সবার চেয়ে এগিয়ে থাকতে এবং সবার চাহিদার মধ্যে থাকার জন্য, এই বিশেষজ্ঞদের ক্রমাগত তাদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান উন্নত করতে হবে এবং নতুন স্মার্ট টুলগুলো ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
কৃষিতে নতুন পেশার চাহিদাও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্বের জনসংখ্যা বাড়ছে এবং প্রত্যেকের বেঁচে থাকার জন্য খাবারের প্রয়োজন।
তারপরও যদি তুলনা করা হয় কৃষক ও প্রকৌশলীর মধ্যে তাহলে এটা বলতেই হবে যে কৃষকদের চেয়ে দক্ষ প্রকৌশলীর চাহিদাই বেশি হবে।
যে সব চাকরির অস্তিত্ব সংকটে
এমন অনেক কাজ রয়েছে যা শিগগিরই শ্রমবাজার থেকে অদৃশ্য হতে শুরু করবে। এগুলো মূলত এসব সব কাজ যা এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থাৎ প্রযুক্তির সাহায্যে সহজেই করা যাবে।
নিচে এমন সম্ভাব্য সব কাজের একটি তালিকা করা রয়েছে যারা শিগগিরই শ্রম বাজার থেকে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে:
গ্রাহক পরিষেবা (ক্যাশিয়ার, বিক্রয়কর্মী, পরামর্শদাতা, ইত্যাদি)।
অফিস ব্যবস্থাপনা (দূরবর্তী কাজ বাড়ার কারণে)।
ডেটা এন্ট্রি (পরিসংখ্যানবিদ, আর্থিক পেশাদার, টাইপিস্ট, প্রযুক্তিগত অনুবাদক)।
অ্যাকাউন্টিং।
কারখানার শ্রমিক যারা পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করেন।
৫. গল্প বলা
আরেকটি পেশা, যার কথা খুব কমই উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু নিঃসন্দেহে এই পেশাদারদের প্রয়োজন ভবিষ্যতে বাড়তে থাকবে, তা হল গল্পকার।
হাজার হাজার বছর আগে যেমন এই গল্পকারদের প্রয়োজন ছিল, তেমনি মানুষের অভিজ্ঞতার সাথে সম্পর্কিত যে কোনও সৃজনশীল কাজ অপরিহার্য হয়ে থাকবে।
আমাদের লেখক, কবি, পরিচালক, অভিনেতা, কৌতুক অভিনেতা, শিল্পী এবং সঙ্গীতজ্ঞদের প্রয়োজনীয়তা অব্যাহত থাকবে।
এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এই খাতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করলেও এই পেশাদারদের প্রয়োজনীয়তা কমবে না।
বর্তমানে আমাদের জীবনের একটি গুরত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে জিমেইল। কেননা জিমেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট, ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করা হয় ই-মেইলের মাধ্যমে। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত প্রয়োজনেও জিমেইল ব্যবহার করে হয়ে থাকে। তবে জানেন কি, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে নিষ্ক্রিয় জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুগল।
যদি দীর্ঘদিন ধরে আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার না করেন তাহলে সমস্যায় পড়তে পারেন। মূলত সার্ভারের উপর চাপ কমাতে নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুগল।
ইনঅ্যাক্টিভ জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধ হচ্ছে
গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব জিমেইল অ্যাকাউন্ট ২ বছরের বেশি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে আছে সেই সব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হবে। এখনকার দিনে অনেকেই একাধিক জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করেন কিন্তু সেগুলো আর ব্যবহার করেন না। আর তাই সার্ভার স্টোরেজ কমাতে গুগল নিষ্ক্রিয় জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা নিয়ে পলিসি পেজে যা জানিয়েছে গুগল
যে-সব জিমেইল অ্যাকাউন্ট দুই বা তার বেশি বছর ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে না সেগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই ধরনের অ্যাকাউন্টকে গুগল থেকে নোটিফিকেশন পাঠানো হচ্ছে এবং তাদের অ্যাকাউন্টগুলো সক্রিয় রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এরপরও যদি অনেক অ্যাকাউন্ট অব্যবহৃত অবস্থায় থাকে, তাহলে গুগল উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টে লগ ইন করুন, অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে অর্থাৎ বন্ধ হওয়া আটকাতে আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টে অন্তত একবার লগ ইন করুন।
ই-মেইল পাঠান
আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে ই-মেইল পাঠান এবং ইনবক্সে আসা মেইলগুলো পড়ুন।
গুগল সার্ভিস ব্যবহার করুন
আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রাখতে আপনার গুগল ছবি বা গুগল ড্রাইভ অ্যাকাউন্ট অ্যাক্সেস করুন বা বিভিন্ন ফাইল শেয়ার করুন।
ইউটিউবে ভিডিও দেখুন
আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ইউটিউবে ভিডিও দেখুন।
গুগল সার্চ করুন
আপনি জিমেইল অ্যাকাউন্টে লগ ইন করে এবং গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে কিছু সার্চ করুন। এতে আপনার অ্যাকাউন্ট সক্রিয় থাকবে।
জনগণের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর জন্য বাংলালিংক প্রতিনিধিদের তাগিদ দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিসকক্ষে উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলালিংক প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে এলে উপদেষ্টা একথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, তরুণ প্রজন্মের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ইন্টারনেটের মূল্য কমানোর পাশাপাশি সব মোবাইল অপারেটরদের মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর চেষ্টা করতে হবে।
Bangla Tribune
হোমতথ্যপ্রযুক্তি
মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর তাগিদ নাহিদের
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৯:২২
বাংলালিংক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম
বাংলালিংক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম
জনগণের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর জন্য বাংলালিংক প্রতিনিধিদের তাগিদ দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিসকক্ষে উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলালিংক প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে এলে উপদেষ্টা একথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, তরুণ প্রজন্মের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ইন্টারনেটের মূল্য কমানোর পাশাপাশি সব মোবাইল অপারেটরদের মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর চেষ্টা করতে হবে।
ভেওন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কান টার্জিওগ্লু বাংলাদেশে সিম কার্ডের ট্যাক্স কমানোর কথা বললে উপদেষ্টা বলেন, ট্যাক্সের সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয় জড়িত। তাই এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।
বাংলালিংকের চিফ লিগ্যাল অফিসার জাহারাত আদিব চৌধুরী স্ট্রিমিং অ্যাপ্লিকেশন টফি’র (Toffee) ব্যবহারে বিভিন্ন বাঁধার কথা উল্লেখ করলে উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন কান টার্জিওগ্লু।
সাক্ষাৎকালে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক এস প্রধান করপোরেট ও নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা তাইমুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
"£10 Amazon Gift Card: The Perfect Gift for Anyone!" CLICK HERE "This £10 Amazon.co.uk gift card offers endless possibilities, whether you're treating yourself or gifting someo…
Social Plugin